পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জরুরী হেল্পলাইন নাম্বার থাকে। মানুষ আর কিছু মনে না রাখতে পারলেও সেই নাম্বারটা মনে রাখে। কারণ, তারা জানে সেই নাম্বারে ফোন দিলেই কিছু না কিছু সাহায্য নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। বাংলাদেশে আমাদের এমন একটা হেল্পলাইনের ভীষণ অভাব ছিল। আমাদের দেশে মানুষ প্রতিদিন কত ধরণের সমস্যায় পড়ে, কিন্তু তার চেয়ে বড় সমস্যা তারা জানেন না কোথায় গেলে সমস্যার সমাধান মিলবে। ফলে, মানুষ সবচেয়ে সহজ কাজটাই করে। সিস্টেমকে গালাগালি করে, কখনো সরকারকে, কখনো নিজেকেই গালি দেন।
হ্যাঁ, কোনো কিছু রাতারাতি বদলে যাবে না। তবে চাইলে জীবনকে কিছুটা সহজ করা যায়। যেহেতু আমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের নাগরিক, সেহেতু আমাদের জানা থাকা দরকার আমাদের জন্য কি কি নাগরিক সুবিধা আছে। সেসব ব্যবহারের মাধ্যমে একটু হলেও সমস্যাগুলো সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করা যায়।
গত বছরের একটা ঘটনা। স্থান মানিকগঞ্জের শিবালয়। নৌকায় বেড়াতে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। হঠাৎ করেই পদ্মানদীতে ডুবে গেল ইঞ্জিনচালিত সেই নৌকা। যাত্রী হিসেবে ছিলেন নারী ও শিশুসহ সাত সদস্যের পরিবার। কেউ একজন দেখে ফেলে সাথে সাথে ফোন করলো জাতীয় হেল্পলাইন ৯৯৯ নাম্বারে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা নিলো। হয়ত আর কিছুক্ষণ দেরি হলে কয়েকটি জীবনকে মৃত্যুর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে হতো। সেটি হয়নি৷ হেল্পলাইনে ফোন করায় এবং ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় একটি সমস্যার সমাধান হলো।
নাগরিক সুবিধা সম্বলিত সরকারি যেসব হেল্পলাইন আছে এই নাম্বারগুলো জেনে রাখা দরকার। কখন কোন নাম্বার কারো উপকারে লেগে যায় বলা তো যায় না। আজকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সমস্যার জন্য যেসব হেল্পলাইন আছে সেগুলো সম্পর্কে জানাবো।
৯৯৯
দ্রততর সময়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর চালু করা হয় জরুরী সেবা নম্বর ৯৯৯।
কিভাবে কাজ করে ৯৯৯? এখানে প্রশিক্ষিত কর্মীরা জরুরি সেবা চাওয়া মানুষের ফোন কল রিসিভ করেন। তারপর সমস্যার ধরণ বুঝে তারা লোকেশন সার্চ করে সবচেয়ে কাছে যে থানা সেখানে খবর পৌঁছে দেন। কেউ জরুরি অ্যাম্বুলেন্স চাইলে নিকটস্থ সার্ভিসের কাছে ইনফর্ম করেন। কোথাও আগুন লাগলে সবচেয়ে কাছের ফায়ার স্টেশনের কাছে তথ্য দিয়ে দেন। সাথে সাথে সেবা প্রধানকারী সংস্থাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে দেয়।
এই সেবার মাধ্যমে প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ এখন পর্যন্ত সেবা গ্রহণ করেছেন। তবে ফোন কল আসে অসংখ্য। সব কলই যে সাহায্য চাওয়ার কল তাও না। খেয়াল রাখতে হবে, আপনি জরুরি পুলিশি সেবা, হাসপাতাল সার্ভিস, ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজন হলে এই সেবাটি ব্যবহার করলে সুফল বেশি মিলবে।
৩৩৩
সরকারের বিভিন্ন দফতর সম্পর্কে মানুষের কনফিউশন দূর করতে কাজ করে। এই দফতরগুলোতে কারো কোনো সেবার দরকার পড়লে, কোনো তথ্যের প্রয়োজন পড়লে অনেকেই বুঝতে পারেন না কার কাছে গেলে মিলবে আসল তথ্য। সেই জায়গা থেকে সরকারি বিভিন্ন তথ্য সেবা, কর্মকর্তাদের তথ্য, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রতিকার নিয়ে কেউ কথা বলতে চাইলে কল করতে হবে ৩৩৩ নাম্বারে। এমনকি আপনি কোনো জেলার পর্যটন স্পটগুলো সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে চাইলেও ব্যবহার করতে পারবেন এই নাম্বারটি। শুধু তাই নয়, প্রবাসীরাও এই সেবার আওতায় আছেন। এজন্যে ডায়াল করতে হবে ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে।
১০৯
নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হলে এই হেল্পলাইন ব্যবহার করলে মিলবে জরুরি সেবা।নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সহ বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে এই হেল্পলাইনটি। গত মার্চে নাটোরের গুরুদাসপুরে উপজেলার দাদুয়া গ্রামের ষোড়শী কন্যা তানিয়া খাতুন নিজের বাল্যবিবাহ আটকাতে পেরেছেন এই হেল্পলাইন ব্যবহার করে৷ পুলিশ এসে বন্ধ করে সেই বিবাহ। এরকম অসংখ্য সমস্যায় পাশে আছে ১০৯।
১০৬
কোথাও দূর্ণীতি দেখলেন, চুপ করে থাকলেন, না হয় নিজেই দেশ নিয়ে হতাশা ঝেড়ে ভুলে গেলেন- এরকমটা না করে চাইলে আপনিও দূর্ণীতি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারেন। দুদক হেল্পলাইন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কল সেন্টারটি খোলা থাকবে। এই নাম্বারে কল দিয়ে জানাতে পারেন দূর্ণীতি সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য। হেল্পলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে নিরীহ কেউ যেন ফাঁসে না সে জন্যে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়ে থাকে এবং ফোনকলকারীর পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থাও আছে।
১০৯০
দূর্যোগ সংক্রান্ত আগাম সতর্কবার্তা নিয়ে এই হেল্পলাইন কাজ করে। যেকোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতির ব্যাপার থাকে। তাই আসন্ন দূর্যোগময় সময় মোকাবেলা করতে এই হেল্পলাইন সাধারণ মানুষের সাথে থাকে সবসময়।
১০০
অনেকেই হয়ত জানেন না বাংলাদেশ পুলিশের নিজস্ব হেল্পডেস্ক আছে। অনেকে হয়ত এও জানেন না, পুলিশি হয়রানির কোনো তথ্য যদি আপনি উচ্চপদস্থ কোনো পুলিশ অফিসারকে জানান তাহলে তদন্তসাপেক্ষে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়ে থাকে পুলিশ বাহিনী। তাই কোনো পুলিশি সেবা কিংবা হয়রানি সম্পর্কে জানাতে এই হেল্পলাইন ব্যবহার করতে পারেন।
১০১
র্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) এরও নিজস্ব হেল্পলাইন আছে। ১০১ নাম্বারে কল দিলেই আপনি সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন র্যাবের সাথে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা সেবা গ্রহণ করার জন্য যদি আপনার মনে হয় র্যাবকে জানানো দরকার তাহলে কল করতে পারেন ১০১- এ।
১০২
৯৯৯ এ কল করলেই ফায়ার সার্ভিসের সেবা পাওয়া যায়। তবে ফায়ার সার্ভিসেরই নিজস্ব হটলাইন আছে। ১০২ এ কল দিয়ে নেয়া যাবে এই প্রতিষ্ঠানটির জরুরি সেবা।
১০৫
জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে মানুষ অনেক বেশি দ্বিধায় থাকেন। এক একজন একেক রকম তথ্য দেন, একেক রকমের পরামর্শ। তবে সবচেয়ে অথেনটিক তথ্য জানতে কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কোনো সেবার দরকারে কল করবেন ১০৫ নাম্বারে।
১৬৪৩০
অসহায়ের জন্য আইনের সুবিধা নেই- এই কথা বলার সুযোগ নেই এখ
হ্যাঁ, কোনো কিছু রাতারাতি বদলে যাবে না। তবে চাইলে জীবনকে কিছুটা সহজ করা যায়। যেহেতু আমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের নাগরিক, সেহেতু আমাদের জানা থাকা দরকার আমাদের জন্য কি কি নাগরিক সুবিধা আছে। সেসব ব্যবহারের মাধ্যমে একটু হলেও সমস্যাগুলো সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করা যায়।
গত বছরের একটা ঘটনা। স্থান মানিকগঞ্জের শিবালয়। নৌকায় বেড়াতে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। হঠাৎ করেই পদ্মানদীতে ডুবে গেল ইঞ্জিনচালিত সেই নৌকা। যাত্রী হিসেবে ছিলেন নারী ও শিশুসহ সাত সদস্যের পরিবার। কেউ একজন দেখে ফেলে সাথে সাথে ফোন করলো জাতীয় হেল্পলাইন ৯৯৯ নাম্বারে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারের চেষ্টা নিলো। হয়ত আর কিছুক্ষণ দেরি হলে কয়েকটি জীবনকে মৃত্যুর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে হতো। সেটি হয়নি৷ হেল্পলাইনে ফোন করায় এবং ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় একটি সমস্যার সমাধান হলো।
নাগরিক সুবিধা সম্বলিত সরকারি যেসব হেল্পলাইন আছে এই নাম্বারগুলো জেনে রাখা দরকার। কখন কোন নাম্বার কারো উপকারে লেগে যায় বলা তো যায় না। আজকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সমস্যার জন্য যেসব হেল্পলাইন আছে সেগুলো সম্পর্কে জানাবো।
৯৯৯
দ্রততর সময়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ তিনটি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর চালু করা হয় জরুরী সেবা নম্বর ৯৯৯।
কিভাবে কাজ করে ৯৯৯? এখানে প্রশিক্ষিত কর্মীরা জরুরি সেবা চাওয়া মানুষের ফোন কল রিসিভ করেন। তারপর সমস্যার ধরণ বুঝে তারা লোকেশন সার্চ করে সবচেয়ে কাছে যে থানা সেখানে খবর পৌঁছে দেন। কেউ জরুরি অ্যাম্বুলেন্স চাইলে নিকটস্থ সার্ভিসের কাছে ইনফর্ম করেন। কোথাও আগুন লাগলে সবচেয়ে কাছের ফায়ার স্টেশনের কাছে তথ্য দিয়ে দেন। সাথে সাথে সেবা প্রধানকারী সংস্থাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে দেয়।
এই সেবার মাধ্যমে প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ এখন পর্যন্ত সেবা গ্রহণ করেছেন। তবে ফোন কল আসে অসংখ্য। সব কলই যে সাহায্য চাওয়ার কল তাও না। খেয়াল রাখতে হবে, আপনি জরুরি পুলিশি সেবা, হাসপাতাল সার্ভিস, ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজন হলে এই সেবাটি ব্যবহার করলে সুফল বেশি মিলবে।
৩৩৩
সরকারের বিভিন্ন দফতর সম্পর্কে মানুষের কনফিউশন দূর করতে কাজ করে। এই দফতরগুলোতে কারো কোনো সেবার দরকার পড়লে, কোনো তথ্যের প্রয়োজন পড়লে অনেকেই বুঝতে পারেন না কার কাছে গেলে মিলবে আসল তথ্য। সেই জায়গা থেকে সরকারি বিভিন্ন তথ্য সেবা, কর্মকর্তাদের তথ্য, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রতিকার নিয়ে কেউ কথা বলতে চাইলে কল করতে হবে ৩৩৩ নাম্বারে। এমনকি আপনি কোনো জেলার পর্যটন স্পটগুলো সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে চাইলেও ব্যবহার করতে পারবেন এই নাম্বারটি। শুধু তাই নয়, প্রবাসীরাও এই সেবার আওতায় আছেন। এজন্যে ডায়াল করতে হবে ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে।
১০৯
নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হলে এই হেল্পলাইন ব্যবহার করলে মিলবে জরুরি সেবা।নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ বন্ধ, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সহ বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে এই হেল্পলাইনটি। গত মার্চে নাটোরের গুরুদাসপুরে উপজেলার দাদুয়া গ্রামের ষোড়শী কন্যা তানিয়া খাতুন নিজের বাল্যবিবাহ আটকাতে পেরেছেন এই হেল্পলাইন ব্যবহার করে৷ পুলিশ এসে বন্ধ করে সেই বিবাহ। এরকম অসংখ্য সমস্যায় পাশে আছে ১০৯।
১০৬
কোথাও দূর্ণীতি দেখলেন, চুপ করে থাকলেন, না হয় নিজেই দেশ নিয়ে হতাশা ঝেড়ে ভুলে গেলেন- এরকমটা না করে চাইলে আপনিও দূর্ণীতি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারেন। দুদক হেল্পলাইন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কল সেন্টারটি খোলা থাকবে। এই নাম্বারে কল দিয়ে জানাতে পারেন দূর্ণীতি সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য। হেল্পলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে নিরীহ কেউ যেন ফাঁসে না সে জন্যে বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়ে থাকে এবং ফোনকলকারীর পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থাও আছে।
১০৯০
দূর্যোগ সংক্রান্ত আগাম সতর্কবার্তা নিয়ে এই হেল্পলাইন কাজ করে। যেকোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতির ব্যাপার থাকে। তাই আসন্ন দূর্যোগময় সময় মোকাবেলা করতে এই হেল্পলাইন সাধারণ মানুষের সাথে থাকে সবসময়।
১০০
অনেকেই হয়ত জানেন না বাংলাদেশ পুলিশের নিজস্ব হেল্পডেস্ক আছে। অনেকে হয়ত এও জানেন না, পুলিশি হয়রানির কোনো তথ্য যদি আপনি উচ্চপদস্থ কোনো পুলিশ অফিসারকে জানান তাহলে তদন্তসাপেক্ষে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়ে থাকে পুলিশ বাহিনী। তাই কোনো পুলিশি সেবা কিংবা হয়রানি সম্পর্কে জানাতে এই হেল্পলাইন ব্যবহার করতে পারেন।
১০১
র্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) এরও নিজস্ব হেল্পলাইন আছে। ১০১ নাম্বারে কল দিলেই আপনি সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন র্যাবের সাথে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা সেবা গ্রহণ করার জন্য যদি আপনার মনে হয় র্যাবকে জানানো দরকার তাহলে কল করতে পারেন ১০১- এ।
১০২
৯৯৯ এ কল করলেই ফায়ার সার্ভিসের সেবা পাওয়া যায়। তবে ফায়ার সার্ভিসেরই নিজস্ব হটলাইন আছে। ১০২ এ কল দিয়ে নেয়া যাবে এই প্রতিষ্ঠানটির জরুরি সেবা।
১০৫
জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে মানুষ অনেক বেশি দ্বিধায় থাকেন। এক একজন একেক রকম তথ্য দেন, একেক রকমের পরামর্শ। তবে সবচেয়ে অথেনটিক তথ্য জানতে কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কোনো সেবার দরকারে কল করবেন ১০৫ নাম্বারে।
১৬৪৩০
অসহায়ের জন্য আইনের সুবিধা নেই- এই কথা বলার সুযোগ নেই এখ
